Posts

সাত আসমান জমিন সম্পর্কে কিছু ধারনা

Image
সাত আসমান জমিন সম্পর্কে কিছু ধারনা   ২২৮ টি দেশ নিয়ে এই পৃথিবী।  পৃথিবী থেকে সুর্য ১৩ লক্ষ গুন বড়। চিত্র: সৌরজগত   ব্যাটেল জুইস নামে একটি তারা আছে, যা সূর্যের চেয়ে ৩৩ কোটি গুণ বড়। আল্লাহু আকবর। প্রক্সিমা সেন্ট্রাই, আলফা সেন্ট্রাই, ব্যাটেল জুইস এরকম ৫০০ বিলিয়ন তারকা নিয়ে গঠিত গ্যালাক্সি। আল্লাহ তায়ালা কোটি কোটি গ্যালাক্সি সৃষ্টি করেছেন। পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রতগামী যান Apollo 11. সেকেন্ডে চলে ১১ কিঃমিঃ বেগে। মিনিটে চলে ৬৬০ কিঃ মিঃ বেগে, ঘন্টায় চলে ৩৯ হাজার কিঃমিঃ বেগে।  যদি কেউ পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের তারকা প্রক্সিমা সেন্ট্রাই Apollo 11 তে চড়ে যেতে চায়, সময় লাগবে ১ লক্ষ ১৫ হাজার বছর। যাহা কোন ক্রমেই সম্ভব নহে। গ্যালাক্সি, সুপার নোভা, ব্লাক হোল এগুলো ১ম আকাশ নয়।  * ১ম আকাশের মহাশুন্য, তারপর ১ম আকাশ।  *তারপর ২য় আকাশের মহাশুন্য, তারপর ২য় আকাশ। *তারপর ৩য় আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৩য় আকাশ। *তারপর ৪র্থ আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৪র্থ আকাশ। *তারপর ৫ম আকাশের মহাশুন্য, তারপর ৫ম আকাশ। *৬ষ্ঠ আসমানে একটা গাছ আছে। গাছটির নাম সিদরাতুলমুনতাহা।  বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ) বল...

যে সকল কারণে রোজা ভাঙ্গে না

Image
  কিছু কাজ এমন আছে যার কারণে রোজা ভাঙে না।  এ কার্যগুলো সম্পাদন হলে রোজা চালিয়ে নিতে হবে। রোজা ভেঙে গেছে মনে করে পানাহার করা যাবে না। এরকম কিছু কাজ নিচে সংক্ষেপে দেয়া হলো। যেগুলোর কারণে রোজা নষ্ট হয় না। muslimbookbd.blogspot.com # রোজার কথা ভুলে গিয়ে পানাহার করলে রোজা ভাঙে না। তবে স্মরণ হওয়া মাত্রই পানাহার ছেড়ে দিতে হবে। # চোখে ওষুধ-সুরমা, মাথায় বা শরীরে তেল লাগালে রোযার কোনো ক্ষতি হয় না। আতর-সুগন্ধি ব্যবহার করলেও অসুবিধা নেই। # অনিচ্ছাকৃত বমি হলে (মুখ ভরে হলেও) রোযা ভাঙ্গবে না। তেমনি বমি মুখে এসে নিজে নিজে ভেতরে চলে গেলেও রোযা ভাঙ্গবে না। # মশা-মাছি, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি অনিচ্ছাকৃত পেটের ভেতর ঢুকে গেলেও রোযা ভাঙ্গবে না। অনুরূপভাবে ধোঁয়া বা ধুলোবালি  অনিচ্ছাকৃতভাবে গলা বা পেটের ভেতর ঢুকে গেলে রোযা ভাঙ্গবে না। # স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভাঙ্গবে না। # চোখের দু’ এক ফোটা পানি মুখে চলে গেলে রোযার ক্ষতি হয় না। তবে তা যদি গলার ভেতর চলে যায় তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। # সুস্থ অবস্থায় রোযার নিয়ত করার পর যদি অজ্ঞান বা অচেতন হয়ে যায় তাহলে রোযা নষ্ট হবে না। # রোজা অবস্থায় ইনসুলিন নিলে রোজ...

রমজানের ২১টি বিশেষ আমল

Image
রমজানের ২১টি বিশেষ আমল   বছর ঘুরে আবার এলো মাহে রমজান। এই রমজানে ২১টি বিশেষ আমল আছে। অন্যান্য আমলের পাশাপাশি আমরা এগুলো করতে পারি। এর দ্বারা আশা করা যায় রমজানের পুরোপুরি ফজিলত অর্জিত হবে। যখন রমজানের চাঁদ দেখব আমরা আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করব। বলব, আল্লাহ এই চাঁদ আমার ঈমান, আমল, বরকতের জন্য কবুল করে নাও। এরপরে দিনের বেলায় তো রোজা আছি আলহামদুলিল্লাহ। রোজাটা আমরা রাখার মতো করে রাখব। ঠিক রাতের বেলা আমরা কিয়ামুল লাইল করব। আল্লাহর রাসুল বলেছেন, তোমরা রাতের বেলা সালাত আদায় কর। এই সালাত কিয়ামতের ময়দানে তোমার জন্য শাফায়েত হিসেবে পেশ করা হবে আল্লাহর কাছে। এটা তখন আল্লাহর কাছে তোমার জন্য সুপারিশ করবে। এ জন্য কেয়ামুল লাইল পড়ব। তারাবির সালাত পড়ব, তাহাজ্জুত পড়ব। ইফতার করব এবং ইফতারটাকে আমরা বিলম্বে করব না। কারণ ইফতার যদি সময়মত করি এর মধ্যেই কল্যাণ আছে রাসুল সা. বলেছেন, যতদিন আমার জাতি কল্যাণের পথে থাকবে ততদিন তারা সময়মত ইফতার করবে। ইফতারে কী খেলাম না খেলাম তার দিকে তাকাব না। আল্লাহর রাসুল সা. খেজুর, পানি, দুধ দিয়ে ইফতার করেছেন। আমরা এখন খাবারের পেছনে ছুটছি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে রমজান যেন খাবা...

ইফতারের দোয়া ও ইফতারের নিয়ত

Image
  ই ফতারের দোয়া। ইফতারের নিয়ত বাংলা এবং আরবি অর্থসহ নিজে জানুন এবং অন্যকে জানান- ইফতারের পূর্বে যে দোয়া পড়বেন ইফতারের পূর্বে এই দোয়া পড়িতে হয়, বাংলা উচ্চারণ:  ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আ’লা রিযক্বিকা আফত্বারতু।’ বাংলা অর্থ:  ‘আল্লাহর নামে (শুরু করছি); হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি।  (আবু দাউদ মুরসাল, মিশকাত) ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয় ইফতারের সময় দোয়া কবুল হয় তাই এ সময় বেশি বেশি দুআ-ইস্তিগফার করতে থাকবে। বিশেষত এই দোয়া করবে- اَللهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِرَحْمَتِكَ الَّتِيْ وَسِعَتْ كُلَّ شَيْءٍ أَنْ تَغْفِرَ لِيْ. رواه ابن ماجه، وقال البوصيري في الزوائد : هذا هديث صحيح، ورجاله ثقات. হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে তোমার সেই রহমতের উসীলায় প্রার্থনা করছি যা সকল বস্ত্ততে পরিবেষ্টিত, তুমি আমাকে মাফ করে দাও।-সুনানে ইবনে মাজাহ পৃ. ১২৫, হাদীস : ১৭৫৩ ইফতারের সময় যে দোয়া পড়তে হয় উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।’ অর্থ: হে আল্লাহ! আ...

রমজানের খাবারে আসলেই কি কোনো হিসাব নাই?

Image
  রমজানের খাবারে আসলেই কি কোনো হিসাব নাই? সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারনা সমাজের কিছু মানুষ তাদের ভোগ বিলাসিতাকে জায়েজ করার জন্য এরকম একটা কথার প্রচলন করেছে। তারা বলে থাকে- সাহরি ও ইফতারে যা খাওয়া হবে এর কোনো হিসাব দিতে হবে না। নাউজুবিল্লাহ! এই ধারণাটা সাওমের চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক। সাহরি ইফতারে অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে রামাদানে আমাদের ইবাদত করার সুযোগ নষ্ট হয়। সাহরি খাওয়ার উদ্দেশ্য এই নয় যে সারা দিন খেতে পারব না, তাই সারা দিনের খাবার একসাথে খেয়ে নিই। ইফতারের উদ্দেশ্য এই হওয়া উচিত নয় যে, সারা দিন খাই নি এখন সেটা উসুল করে নিই। সারা বছর আমরা যে পরিমাণ খাবার খাই, অনেকেই রামাদানে তার চেয়ে বেশি খেয়ে থাকি। এজন্য আমরা ইবাদতে মন দিতে পারি না। রামাদানে আত্মা যে পরিশুদ্ধ হওয়ার কথা ছিল, সেটা থেকে বঞ্চিত হই। রামাদান আমাদের অনেকের জীবনে আসে খাওয়ার মাস হিসাবে। কিন্তু হওয়ার কথা ছিল উল্টা। তাই সাহরি-ইফতারের খানার কোনো হিসাব নাই, এমন চিন্তা করার অবকাশ ইসলামে নাই। নবীজি (সা) বলেছেনঃ মানুষ পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোন পাত্র ভর্তি করে না। (যতটুকু খাদ্য গ্রহণ করলে পেট ভরে পাত্র থেকে ততটুকু খাদ্য উঠানো কোন ব্যক্তির ...

রমজানের পূর্ব প্রস্তুতি

Image
  আমরা কিভাবে রমজানের জন্য প্রস্তুতি নিব? এই মহান মাসে কোন আমলগুলো অধিক উত্তম? উত্তর আলহামদু লিল্লাহ।. এক  : প্রিয় ভাই, আপনি একটি ভাল প্রশ্ন করেছেন। আপনি রমজান মাসের প্রস্তুতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন। এমন একটি সময়ে আপনি প্রশ্নটি করেছেন যখন সিয়াম সম্পর্কে বহু মানুষের ধ্যান ধারণা পাল্টে গেছে। তারা এই মাসকে খাবার-দাবার, পান-পানীয়, মিষ্টি-মিষ্টান্ন, রাত জাগা ও স্যাটেলাইট চ্যানেল উপভোগ করার মৌসুম বানিয়ে ফেলেছে। এর জন্য তারা রমজান মাসের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে; এই আশংকায় যে- কিছু খাদ্যদ্রব্য কেনা বাদ পড়ে যেতে পারে অথবা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। এভাবে তারা খাদ্যদ্রব্য কেনা, হরেক রকম পানীয় প্রস্তুত করা এবং কী অনুষ্ঠান দেখবে, আর কী দেখবে না সেটা জানার জন্য স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর প্রোগ্রামসূচী অনুসন্ধান করার মাধ্যমে এর জন্য প্রস্তুতি নেয়। অথচ রমজান মাসের তাৎপর্য সম্পর্কে সত্যিকার অর্থেই তারা অজ্ঞ। তারা এ মাসকে ইবাদত ও তাকওয়ার পরিবর্তে উদরপূর্তি ও চক্ষুবিলাসের মৌসুমে পরিণত করে। দুই  : অপরদিকে কিছু মানুষ রমজান মাসের তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতন। তারা শাবান মাস থেকেই রমজানের ...

দাড়ি রাখা কি সুন্নাত নাকি ওয়াজিব?

Image
  পুরুষের জন্য দাড়ি রাখা কি সুন্নাহ নাকি ওয়াজিব? দাড়ি কাটলে বা শেভ করলে কি গুনাহ হবে? দাড়ি ইসলামের শিআর ও পরিচয়-চিহ্ন হিসেবে গণ্য। দাড়ি লম্বা করা এবং মোচ খাটো করা দ্বীনে তাওহীদের শিক্ষা, যা সকল নবীগণের (আঃ) শরীয়তে ছিল। দাড়ি লম্বা রাখা ওয়াজিব এবং এক মুষ্ঠি থেকে খাটো করা নাজায়েয।  যেহেতু দাড়ি রাখা সকল নবীর পবিত্র রীতি ছিল তাই একে ‘সুন্নত’ও বলা হয়। এতে কারো কারো ভুল ধারণা সৃষ্টি হয়েছে যে, দাড়ি লম্বা করাও অন্যান্য সাধারণ সুন্নতের মতো একটি সুন্নত। অতএব তা করলে ভালো, না করলেও গুনাহ নেই! এটা একদম ভুল ধারণা।  দাড়ি এমন কোনো সুন্নত নয়, যা রাখা-না রাখার স্বাধীনতা রয়েছে। এটা একটা ‘সুন্নতে ওয়াজিবা’। অর্থাৎ সুন্নতে মুয়াক্কাদা থেকেও এর গুরুত্ব বেশি এবং এটা পরিত্যাগ করলে গুনাহ হয়। দাড়ি কামানো বা এক মুষ্ঠি থেকে ছোট রাখা এমন এক গুনাহ, যা মানুষের সঙ্গে সর্বদা সংযুক্ত থাকে এবং এমন একটি গুনাহ, যা গোপন করারও কোনো উপায় নেই। প্রতি মুহূর্তে এটার জন্য গুনাহ লেখা হতে থাকে। এটা একটা প্রকাশ্য গুনাহ, যা খুবই ভয়াবহ। তদুপরি দাড়ির সঙ্গে এই আচরণটা করা হয় সুন্নতের প্রতি অনীহা এবং অনৈস...